আচ্ছালামুয়ালাইকুম ! আশা করি সবাই ভালো আছেন√ আজকের আর্টিকেল এ দেখতে পারবেন আমাদের শরীর কেন চুলকায় বা শরীর চুলকানোর কারন গুলো কি? পুরো আর্টিকেল টি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন এবং ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করার অনুরোধ রইলো।
শরীর চুলকায় কেন- এই বিষয়ে খুব কমই গবেষণা হয়েছে। তো চলুন আজকে শরীর চুলকানোর নিচের তথ্যগুলো আপনাকে বিস্মিত করবেঃ
★ গবেষণায় দেখা গেছে আমরা প্রতিদিন ১০০ বার চুলকাই। আপনি এখন আমাদের যে আর্টিকেল টি পড়ছেন এখন হয়তোবা আপনার শরীরর কোথাও চুলকাচ্ছে। চুলকে ফেলুন এখন কেউ দেখবে না।
★ লক্ষ্য করে দেখবেন কখনো কখনো কোন গাছের বা পশুর সংস্পর্শে এলে আমাদের শরীর চুলকায়। এর কারণ হলো এগুলো থেকে নিঃসরিত বিষ চামড়ায় লেগে হিস্টামিন নির্গত হয়। সাথে সাথে স্নায়ুকোষ তার ফাইবারের মাধ্যমে মস্তিস্কে চুলকানির বার্তা পাঠায়। যার ফলে আমাদের শরীর চুলকাতে থাকে।
★ আমাদের একেক স্নায়ু ফাইবারের একেক রকম গতি থাকে। যেমনঃ স্পর্শের সিগন্যালের গতি ঘণ্টায় ২০০ মাইল। দ্রুত ব্যথার গতি ঘন্টায় ৮০ মাইল বেগে চলে। কিন্তু চুলকানির গতি মন্থর। চুলকানির গতি ঘণ্টায় দুই মাইল। যা আমাদের হাটার গতির চেয়েও মন্থর।
★ চুলকানির নিজস্ব স্নায়ু নেটওয়ার্ক রয়েছে। কিছুদিন আগ পর্যন্ত মানুষের ধারণা ছিল, যে একই পথ দিয়ে চুলকানি এবং ব্যথার সিগন্যাল মস্তিষ্কে পৌছায়। কিন্তু ১৯৯৭ সালে এক গবেষণায় প্রমানিত হয় চুলকানির স্নায়ুর ফাইবার পৃথক।
★ যত চুলকাবেন, ততই চুলকানি তৈরি হবে। চামড়ায় চুলকানোর সময় বেশি বেশি হিস্টামিন নিঃসরিত হয়। ফলে আরো চুলকাতে ইচ্ছা করে। কারণ বেশি চুলকালে চামড়ায় ক্ষত তৈরি হয়, জীবাণুর সংক্রমণও হতে পারে।

This comment has been removed by a blog administrator.
ReplyDeleteNice. Best content.
ReplyDeleteNich
ReplyDeleteNice tips
ReplyDeleteNice
ReplyDeletePost a Comment